ডক্টর মোঃ বদরুল আলম সোহাগ—একজন কবি, সাহিত্যিক, আইনজীবী ও সফল উদ্যোক্তা। তিনি সর্বগুণে গুণান্বিত এক মানবিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর কথাবার্তা, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও শারীরিক গঠন সবকিছুই অতুলনীয়। তিনি শুদ্ধভাষী, মার্জিত ও আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গির অধিকারী। তাঁর অনবদ্য লেখনীর গুণে পাঠকরা মন্ত্রমুগ্ধ হন।
ডক্টর মোঃ বদরুল আলম সোহাগ ১৯৮১ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি মেধাবী ও প্রতিভাবান ছিলেন। তিনি বি এ এফ শাহীন স্কুল ও কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করে বিদেশে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে তিনি এমবিএ, এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করেন এবং ২০২১ সালে পিএইচডি অর্জন করেন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি রূপসী বাংলা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এবং সোহাগ জুট অ্যান্ড টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান। তিনি শুধু দক্ষ আইনজীবী নন, বরং সাহিত্যে, সাংবাদিকতায় এবং মানবাধিকার রক্ষায়ও রেখেছেন অনন্য অবদান।
তিনি সাপ্তাহিক আজকের জনকথা পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে সাংবাদিকতার নীতিবোধ ও বস্তুনিষ্ঠতা ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি দৈনিক মাতৃভূমির খবর-এর সঙ্গেও যুক্ত আছেন।
সাহিত্যের প্রতি তাঁর ভালোবাসা গভীর। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে চারটি কাব্যগ্রন্থ, একটি উপন্যাস এবং দুটি ছোটগল্প সংকলন। তাঁর লেখা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমেও নিয়মিত প্রকাশিত হয়, যা সাহিত্যাঙ্গনে তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
ড. সোহাগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি International Organization of United Nation Volunteer (UN Volunteer)-এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের জাতীয় উপদেষ্টা এবং World Organization for Human Rights and Peace-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি International Human Rights Commission-এর অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করছেন।
আমরা এই গুণী ব্যক্তিত্বকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। তাঁর আগামী দিনগুলো হোক আরও সফলতা, সৃজনশীলতা ও কল্যাণময়তায় পরিপূর্ণ। তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।