স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই খনন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি কৃষি ও মাছচাষে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীটির নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় কৃষি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। তবে খনন কাজের ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার হবে বলে তাদের আশা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, “কুতুবপুর থেকে সোনাপুর পর্যন্ত অংশের খনন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অংশের কাজও দ্রুতগতিতে চলছে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে।”
নদী পুনঃখনন প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে মুক্তাগাছার অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।