বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্ভবত চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন কমিশনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে, নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছে, যারা দেশের নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছে। জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ইইউ প্রতিনিধি দল তাদের মতামত তুলে ধরেছে। তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে কতিপয় সুপারিশ দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করছি। ইইউসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”
ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সুরক্ষা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সহিংসতা এড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সংলাপের বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ সুগম হতে পারে।
আগামী দিনে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে কি না, সে বিষয়ে জনগণের কৌতূহল ও প্রত্যাশা বাড়ছে।