• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

তাজুল ইসলাম: এক সংগ্রামী সাংবাদিক ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

সাংবাদিক ও শিক্ষক তাজুল ইসলাম। ১৯৮৫ সালে মুক্তাগাছার ঘোষবাড়ি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি মেধাবী ও পরোপকারী স্বভাবের ছিলেন। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় কাতলাসেন কাদেরিয়া মাদ্রাসা থেকে, যেখানে তিনি ২০০০ সালে দাখিল এবং ২০০৩ সালে আলিম পাশ করেন। পরে তিনি ২০১০ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে গণিতে অনার্স সম্পন্ন করেন।

২০০৭ সালে তাজুল ইসলাম সাংবাদিকতা পেশায় প্রবেশ করেন। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ, দৈনিক শাশ্বত বাংলা, পল্লী কণ্ঠ প্রতিদিন, দৈনিক আমজনতার কথা পত্রিকায় কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের মুক্তাগাছা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত আছেন। সাংবাদিকতায় তিনি ন্যায়নিষ্ঠ ও আপোষহীন। সত্য তুলে ধরার ব্যাপারে তার রয়েছে সুদৃঢ় অবস্থান।

তিনি ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলায় এন্টি অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সংবাদপত্রের পাশাপাশি তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। ২০০৫ সালে তিনি সত্রাসিয়া মডেল কিন্ডারগার্টেন নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে সত্রাসিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মুক্তাগাছা নগেন্দ্র নারায়ণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গেস্ট টিচার হিসেবে শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে তিনি আইডি পার্ক নামে একটি কোম্পানি পরিচালনা করছেন।

২০১১ সালে তাজুল ইসলাম নাদিরা আক্তারকে বিবাহ করেন। তাদের তিন কন্যা সন্তান রয়েছে—রুবায়াত রাইসা, রাফিয়াত রোসাফি এবং রাহিমাত রুহানি। পারিবারিক বন্ধন ও মূল্যবোধের প্রতি তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। পরিবারকে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়ে চলেন এবং সন্তানদের শিক্ষিত ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছেন।

তাজুল ইসলাম পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার ছোট। তার বাবা একজন কাঠমিস্ত্রী ছিলেন এবং মা ছিলেন গৃহিণী। ২০০৪ সালে তার মা এবং ২০০৯ সালে তার বাবা মৃত্যুবরণ করেন। তাদের পরিবার আর্থিকভাবে খুব সচ্ছল ছিল না, কিন্তু কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তাজুল ইসলাম ও তার ভাইরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

সাংবাদিক তাজুল ইসলাম শুধু একজন সংবাদকর্মী নন, তিনি একজন সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সফল উদ্যোক্তা। তার মিষ্টভাষিতা, পরোপকারী মনোভাব এবং সত্য প্রকাশের অনমনীয় মানসিকতা তাকে মুক্তাগাছার মানুষের কাছে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ