• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

জ্বালানি সংকটে সময়মতো ছাড়তে পারছে না দূরপাল্লার কিছু বাস

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

রাজধানী থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার কিছু পরিবহণকে এখনো পড়তে হচ্ছে জ্বালানি সংকটে। প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ায় এসব যানবাহন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে পারছে না, ফলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বাড়ছে ভোগান্তি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর কল্যাণপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যে-সব পরিবহনের নিজস্ব ফিলিং স্টেশন নেই, সেসব কোচকে অর্ধেক তেল নিয়ে ঢাকা ছাড়তে হচ্ছে।

বাকি তেল তারা পথে জেলা ও উপজেলা শহরের পাম্প থেকে সংগ্রহ করছে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিডিউল ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।কল্যাণপুর টার্মিনালে দেখা যায়, অনেক কোচ তেলের অভাবে দেরিতে ছাড়ছে। এস আর পরিবহনের একটি বাস নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর ছেড়েছে।

কাউন্টার মাস্টার বেলাল হোসেন জানান, তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করায় বাস সময়মতো কাউন্টারে আসতে পারেনি।একই চিত্র অন্যান্য পরিবহনের কিছু কোচেও দেখা গেছে। কল্যাণপুরের একটি ফিলিং স্টেশনের মিটার ম্যান নাজমুল হাসান জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৯ হাজার লিটার তেল সরবরাহ করা হতো, এখন তা কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ডিজেল প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক গাড়ি তেল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, সোহরাব ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, একটি বাসের প্রয়োজন ১০০ লিটার তেল হলেও এখন দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫০ লিটার। ফলে বাসগুলোকে ফেরার পথে অন্য পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এদিকে, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন রুটের মিনিবাসও একই সমস্যায় পড়েছে। চালক ও সুপারভাইজাররা জানান, দুই জায়গা থেকে তেল নিতে গিয়ে সময়ের অপচয় হচ্ছে এবং শিডিউল ভেঙে পড়ছে।

তবে হানিফ পরিবহনে, সোহাগ পরিবহনের মতো বড় পরিবহনগুলোর নিজস্ব তেল পাম্প থাকায়, তুলনামূলক স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করছে তারা।

নির্ধারিত সময়ে বাস না ছাড়ায় ঈদ যাত্রায় কিছুটা ভোগান্তি বাড়ছে বলেও জানান বেশ কয়েকজন যাত্রী।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ