• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

ইরানের সরকার পতনে ব্যর্থ মোসাদ, হতাশ নেতানিয়াহু

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

ইরানে জনবিক্ষোভ উসকে দিয়ে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় মোসাদের ওপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের ওপর হামলা শুরুর কয়েক দিন আগে মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নিয়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে দেখা করেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, মোসাদ ইরানি বিরোধী পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশটিতে সরকার পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্নিয়া জানুয়ারির মাঝামাঝিতে ওয়াশিংটন সফরকালে মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছেও এই প্রস্তাব পেশ করেন। পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল, প্রথমে ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা এবং এরপর ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানের মাধ্যমে দেশটিতে গণ-অভ্যুত্থান ঘটানো।

নেতানিয়াহু মোসাদের এই প্রতিশ্রুতিকে পুঁজি করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বুঝিয়েছিলেন যে, ইরানি সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব। যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্পের দেওয়া আট মিনিটের এক ভিডিও বার্তাতেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। যেখানে তিনি ইরানি জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, আপনাদের স্বাধীনতার সময় ঘনিয়ে এসেছে… আমরা কাজ শেষ করলে আপনারা সরকারের দায়িত্ব বুঝে নিন।

তবে যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহ পার না হতেই সরকার পতনের সেই স্বপ্ন ফিকে হতে শুরু করে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের বর্তমান সরকারের পতন ঘটার সম্ভাবনা নেই। বরং সিআইএ সতর্ক করেছে যে, শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হলে আরও কট্টরপন্থি কোনও নেতৃত্ব ক্ষমতায় আসতে পারে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে ইরানে ব্যাপক বিদ্রোহ উসকে দিতে পারবে, এমন বিশ্বাসই ছিল এই যুদ্ধের প্রস্তুতির অন্যতম বড় ভুল। মার্কিন সামরিক নেতারা ট্রাম্পকে আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, মাথার ওপর যখন বোমা পড়ে, তখন সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে না।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইরানে কোনও গণ-অভ্যুত্থান না হওয়ায় মোসাদের ওপর হতাশ হয়ে পড়েছেন নেতানিয়াহু। যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন পর এক নিরাপত্তা বৈঠকে তিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন, মোসাদের অভিযান ফলপ্রসূ না হলে ট্রাম্প যেকোনও মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করে দিতে পারেন।

ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমান এবং অনেক মার্কিন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাও মোসাদের এই পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে শুরু থেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। বর্তমানে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের মূল্যায়ন হলো, ইরান সরকার কিছুটা দুর্বল হলেও এখনও যথেষ্ট সুসংহত অবস্থায় রয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


এই বিভাগের আরো সংবাদ