• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

উভয় সংকটে ট্রাম্প, যুদ্ধ চালানো বা না চালানো দুটোই কঠিন তার জন্য: সিএনএন বিশ্লেষণ

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে আবারও নীতিগত দোলাচলে পড়েছেন। সামরিক হুমকি স্থগিত করলেও, এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসা তার জন্য সহজ নাও হতে পারে, এমনটাই বলছেন বিশ্লেষকরা।

সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, দুই পক্ষের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার ১৫টি পয়েন্টে অগ্রগতি হয়েছে। তবে ইরান এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরু করা সহজ হলেও তা থামানো কঠিন। বিশেষ করে, এই সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামান্য উত্তেজনাও বড় আকার নিতে পারে। হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়ে ইরান ইতোমধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রও কঠোর সামরিক অবস্থান নিয়েছে।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান কিছুটা ‘ডি-এসকেলেশন’ বা উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত দেয়। তবে তার বক্তব্যে ধারাবাহিকতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে তিনি শান্তির কথা বলছেন, অন্যদিকে হামলার প্রস্তুতি বজায় রেখেছেন। এ কারণে তার ঘোষণাগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পেছনে অর্থনৈতিক কারণও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রধান সূচকগুলো এক শতাংশের বেশি বেড়েছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক তেলের দামও কমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প সময় কিনতে চাইছেন। কারণ, সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় মার্কিন বাহিনী এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। খার্গ আইল্যান্ড বা হরমুজ প্রণালীর গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল দখলের মতো অভিযান চালাতে আরও সময় লাগতে পারে।

তবে ইরানের অবস্থানও কঠোর। দীর্ঘ হামলার পর দেশটি আরও আপসহীন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে, তাদের শীর্ষ নেতৃত্বে ক্ষয়ক্ষতির পর কঠোরপন্থীদের প্রভাব বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে সম্ভাব্য আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শর্তগুলোও বড় বাধা। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ত্যাগের দাবি তেহরানের জন্য গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। কারণ, সাম্প্রতিক হামলা তাদের এমন প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালোভাবে দেখিয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ট্রাম্পের সামনে বিকল্পগুলোও সীমিত হয়ে পড়ছে। হামলা বাড়ালে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হতে পারে। স্থলবাহিনী মোতায়েন করলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হবে। আবার হঠাৎ করে যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ালে মিত্র দেশগুলো নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প এমন এক সংকটে পড়েছেন, যেখানে সহজ কোনো সমাধান নেই। যুদ্ধ চালানো বা থামানো দুটোই এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 


এই বিভাগের আরো সংবাদ