• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

লুটপাট করে টাকা কামানোর জন্য হাসপাতাল নির্মাণ হয়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস
আপডেট: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

লুটপাট করে টাকা কামানোর জন্য তড়িঘড়ি করে দেশব্যাপী হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। ১৩ দিনের বিরতি শেষে এদিন বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টাকা কামানোর জন্য বিগত সময়ে ইল-প্ল্যানিংয়ের (দুর্বল পরিকল্পনা) মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোর কাজ শুরু করিয়েছিল। পাশাপাশি এর মাধ্যমে লুটপাট হয়েছে। বিগত সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের যে হাসপাতালগুলো নির্মাণাধীন, সেগুলোর যে ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাকচারের যে প্ল্যান করেছে তা ত্রুটিপূর্ণ। আপনার দেখবেন এন্ট্রান্স যেদিক দিয়ে গেছে অর্থাৎ মধ্যখানে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বাথরুম নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে যেখানে কোনো দিন মানুষ ঢুকতেও পারবে না ময়লার গন্ধে। তড়িঘড়ি করে টাকা কামানোর লক্ষ্যে ইল-প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু করিয়েছিল এবং লুটপাট করেছে।

ডেপটি স্পিকারকে স্বাস্থ্যখাতের বেহাল দশা অবগত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যখাতে বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজে যাওয়ার মতো কোনো তহবিল নেই। এমনকি আপনি শুনে অবাক হবেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই। সব শেষ করে দিয়ে গেছে। এমনকি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের (অন্তর্বর্তী সরকার) যে আমল গেছে, ওনাদের আমলে যা কিছু ছিল তাও নিঃশেষ হয়ে গেছে।

‘যাই হোক, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সারাদেশের এই অবস্থা নিয়ে দুই-তিন দফা আলাপ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী বাজেটের পর আমরা পর্যায়ক্রমে আমাদের সীমিত সম্পদের ভেতর থেকে দেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে যতটুকু অবকাঠামোর উন্নয়নের প্রয়োজন আমরা ততটুকু করবো।’ যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ