• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরও এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে : ইরান

ঢাকা অফিস
আপডেট: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার। ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি ওই কমান্ডার বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী মার্কিন সৈন্যদের তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতা ও সামরিক মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ইরানের ওই কমান্ডার বলেন, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

• কেন হরমুজ প্রণালি এত গুরুত্বপূর্ণ?

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সমুদ্রপথ। এটি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এত উত্তেজনা কেন জেনে নেওয়া যাক..

• বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ধমনী : বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো বড় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

• ভৌগোলিক অবস্থান : এর একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রণালিটির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ।

• বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব : ইরান যদি এই পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অকল্পনীয়ভাবে বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক মন্দার কারণ হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা।


এই বিভাগের আরো সংবাদ