• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

তেলবাহী জাহাজের ভিড় বাড়ছে, তবু অকটেন সংকট

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক তেলবাহী জাহাজ ভিড়ছে। মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি ট্যাংকার মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে জাহাজটি থেকে তেল খালাস করা হবে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে যোগ হবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, ভোররাত ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি বন্দরে পৌঁছায়। লাইটারিং পদ্ধতিতে বা সরাসরি ডলফিন জেটিতে বার্থিং করে তেল খালাসের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। একই ধরনের আরও একটি জাহাজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ৩ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৩০টির বেশি জাহাজ জ্বালানি নিয়ে বন্দরে এসেছে। গত এক মাসে মোট ৩৩টি জাহাজ ভিড়েছে, যার মধ্যে ১৫টি তেলবাহী, ৮টি এলএনজি এবং ৯টি এলপিজিবাহী জাহাজ। এছাড়া শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে আরও একটি জাহাজ আসতে পারে।

তবে এত জাহাজ ভিড়লেও নগরীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাপ কমেনি। কোথাও কোথাও দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টা জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে অকটেনের সংকট সবচেয়ে বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ যানবাহনের সারি দেখা গেছে, যেখানে মোটরসাইকেলের লাইন বেশি।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বলেন, “চট্টগ্রামে ডিজেলের কোনো সংকট নেই, তবে অকটেনের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম। সংকট শুরুর পর হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে গেছে, কিন্তু সরবরাহ আগের মতোই আছে।”

এদিকে, কিছু এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে ১২০ টাকার অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে। তবুও অতিরিক্ত দামে বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৯৮টি অভিযানে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা এবং ১৮ থেকে ২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান চলবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত অকটেন, পেট্রল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ মজুত করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


এই বিভাগের আরো সংবাদ