• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

ঢাকা অফিস
আপডেট: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ অভিযানে সম্ভাব্য ব্যয়ের যে হিসেব দিয়েছিল- তার তুলনায় ইতোমধ্যে দ্বিগুণ ব্যয় হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস।
পেন্টাগনের ইরানে অভিযানের বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জুলস হার্স্টের বরাত দিয়ে সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর আগে পেন্টাগনের প্রাথমিক হিসাব বলছিল যে এ অভিযানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে ২৫০ কোটি ডলার।
জানিয়েছেন, তবে বাস্তবে গত দু’মাসে এই সামরিক অভিযানের পেছনে ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়ে গেছে ৫০০ কোটি ডলার। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। যদি বিরতি শেষ হয়ে যায় এবং ফের যুদ্ধ শুরু হয়- তাহলে এ অভিযানের ব্যয় আরও বাড়বে।
হার্স্ট বলেন, “এমনকি এখন যদি যুদ্ধ থেমেও যায়- তাহলেও ব্যয় বাড়বে। কারণ গত প্রায় দু’মাসে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যত সেনা-ঘাঁটি আছে- সবগুলোতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সেসব ঘাঁটি ফের মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। এটা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ।”
সেনাঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি যুদ্ধাস্ত্রের ক্ষয়ক্ষতিও ব্যয়বৃদ্ধির আরেকটি কারণ। সিবিএসকে হার্স্ট বলেন, “যুদ্ধে এ পর্যন্ত আমরা শুধু এমকিউ-৯ ড্রোন হারিয়েছি ২৪টি। এক একটি ড্রোনের দাম ৩ কোটি ডলার। এছাড়া বিমান, হেলিকপ্টার  ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক যান তো আছেই।”
গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এখনও তা মেনে চলছে দুই দেশ।


এই বিভাগের আরো সংবাদ