• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন ছাত্রদলের কর্মী

ঢাকা অফিস
আপডেট: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে পদবঞ্চিত হয়ে ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কেঁদে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহসান উল্লাহ (নয়ন) নামে এক কর্মী। তিনি বলেন, আমরা নৈরাশ ছিলাম, এখনও নৈরাশ রইলাম। ৫ আগস্টের পরের লোক আইনা আপনারা কমিটিতে বসাইছেন। আমরা এতো দিন আন্দোলন, সংগ্রাম, হরতাল কইরা কমিটিতে আসতে পারলাম না। আপনারা বর্তমানে যেটা করলেন, এটা আপনাদের করা উচিত হয় নাই।

আহসান উল্লাহ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের মো. আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শনিবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশের পর তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদেন। পরবর্তীতে ২ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

লাইভে আহসান উল্লাহ আরও বলেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে, আমার কাছ থেকে নিয়া যায়েন। আওয়ামী লীগের সাথে লক্ষ লক্ষ ছবি থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে কমিটিতে দিছেন। আর আমরা জীবন-যৌবন সব ধ্বংস করে ফেলছি এই ছাত্রদলের জন্য। আপনারা আমাদেরকে রাখেন নাই। আপনাদের এই বিচার এই প্রেক্ষাপট আজ থেকে ছেড়ে দিলাম। ছাত্রদল করতে গিয়ে আমরা জীবনের সবকিছু হারিয়ে ফেলছি। ছাত্রদল করায় নিজের হয়ে যাওয়া নৌবাহিনীর চাকরি থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমাদের জঙ্গি সিল মারা হয়েছে। আমরা সব কিছু ছেড়ে এই স্বৈরাচার পতন করলাম, আর আপনারা ৫ আগস্টের পরের লোক দিয়ে কমিটি করলেন। আপনাদের ব্রেইনে কি আছে? আপনারা কি চাইতেছেন? একটা ত্যাগী লোক রাখলেন না, কোন কারণে রাখলেন না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপনারা দল ইউনিট সব ধ্বংস করে দিছেন। আমরা বাড়িতে থাকতে পারি নাই, ঘরে থাকতে পারি নাই। আমাদের শিক্ষাজীবন সব কিছু দিয়েও যদি দলীয় পরিচয় না পাই, তাহলে তো আমাদের এই দুনিয়াতে বেঁচে থাকার অধিকার নাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহসান উল্লাহ বলেন, ২০২৩ সালে নৌবাহিনীতে চাকরি নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় এলাকাবাসী আমার ছাত্রদলের বিভিন্ন পোস্টার দেখায়। ফলে ১৩ দিন পর আমাকে চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়।

তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অনেকেই খোলস পাল্টে ছাত্রদলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদেরকেই বিভিন্ন পদ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আজিজুল হাকিম আজিজকে সভাপতি এবং মো. রাকিব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম বলেন, পদ না পেয়ে কেঁদে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে এসেছে।

তিনি জানান, তাদের ইউনিটে হাজার হাজার নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়দেরই মূল্যায়ন করা হয়েছে। অভিযোগকারী গত এক বছরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং ব্যক্তিগতভাবেও যোগাযোগ রাখেননি। ফলে তারা ধরে নিয়েছিলেন তিনি হয়তো আর ছাত্রদলের রাজনীতি করছেন না। কমিটি নিয়ে ঢালাওভাবে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ