• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

মুক্তাগাছায় মোশাররফ হত্যার ৯ বছরেও বিচার পাননি পরিবার

ঢাকা অফিস
আপডেট: রবিবার, ১২ মে, ২০২৪

মুক্তাগাছার মুজাটি গ্রামের সহিদুল ইসলামের পুত্র টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র এএসকে মোশাররফ হত্যার ৯ বছর আজ। দীর্ঘ দিনেও ছেলে হত্যার বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় হাতাশায় ভুগছেন বাবা মা পরিচার। চলমান বিচার কার্যক্রম দ্রত নিষ্পত্তির দাবী জানিয়েছেন নিহত মোশাররফের বাবা।
২০১৫ সালের ১৩ মে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালযের পুলিশ ও অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র মোশাররফকে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিপদগামী ছাত্র মিলে প্রকাশ্য দিবালোকে ক্যাম্পাসেই কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। বিষয়টি সে সময় সারা দেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও নিহতের বাবা সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা সহিদুল ইসলাম সহিদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ ২৬ জনকে আসামী করে ১ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে আদালতে অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। তখন ২৬ আসামীর মধ্যে পুলিশ ২৪ জনকে গ্রেফতার করে। পরে আসামীরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। এরপর মামলার স্বাভাকি কার্যক্রম শুরু হলেও দীর্ঘ দিনেও স্বাক্ষগ্রহন কার্যক্রম শেষ হয়নি। ইতোমধ্যেই মামলার বেশির ভাগ স্বাক্ষীর স্বাক্ষ গ্রহন সম্পন্ন হলেও বাকী কার্যক্রমে সংশ্লিষ্টদের নানা অসহযোগিতার কারণের আদালতে মামলায় দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত মোশাররফের বাবা শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই কষ্টে আছেন। ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে তার মা চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছেন। তারা জীবিত থাকতে ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। তাই তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।##


এই বিভাগের আরো সংবাদ