• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

যে কারণে স্বামীকে সমকামী ভাবতেন ফারহা খান

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৫

বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যপরিচালক ও অভিনেত্রী ফারহা খান ২০০৪ সালে ৪ ডিসেম্বর ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির সম্পাদক শিরীষকে বিয়ে করেন। সে হিসাবে তাদের দাম্পত্য জীবন ২০ বছর পার হতে চললো। ২০০৮ সালে কৃত্রিম প্রজননের সাহায্য নিয়ে তারা একসঙ্গে তিন সন্তানের অভিভাবক হন। এমনিতেই খুব একটা রাখঢাক করে কথা বলেন না ফারহা। মনে যা, তা-ই বলে ফেলেন। প্রথমবার শিরীষের সঙ্গে তার দেখা হয় ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবি করার সময়। সম্প্রতি ফারাহ ভারতের জনপ্রিয় মুখ অর্চনা পুরন সিং-এর ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে তিনি কথা বলেছেন নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে। তিনি বলেছেন, আমি প্রথম দেখায় প্রেম এই ব্যাপারটার থেকেই যোজন দূরে। শিরীষ শুরুর দিকে রাগ রাগ দেখাত। কারণ একটা মানুষ যে কম কথা বলে সে রেগে গিলে চুপ করে যায় সেটা আরও বিরক্তিকর। আমি তো আমাদের দেখা হওয়ার পর ছয় মাস পর্যন্ত ভেবেছি উনি সমকামী। অর্চনা ফারহার কাছে জানতে চান, তার ও শিরীষের ঝগড়া হলে কে আগে ক্ষমা চায়? উত্তরে ফারাহ বলেন, ‘কেউ সরি বলে না। শিরীষ ২০ বছরে কখনো আমার কাছে ক্ষমা চায়নি। এরপর কিছুটা ব্যাঙ্গ করে ফারহা খান বলেন, ‘কারণ ও কখনোই ভুলই করে না। ’ এর আগে ‘মুভিং ইন উইথ মালাইকা’ অনুষ্ঠানে ফারহা বলেছিলেন, তার ও শিরীষ কুন্দের-এর কাছের এক বন্ধুর তাদের সম্পর্ক নিয়ে ভীষণ খারাপ ধারণা ছিল। বন্ধুটি ভেবেছিলেন, তাদের হয়ত ডিভোর্স হয়ে যাবে। ফারহার কথায়, ‘আমার বিয়ের দিন ওই বন্ধুকে কেউ একজন জিজ্ঞেস করেছিলেন, তুমি কি ফারহার বিয়েতে যাচ্ছ? উত্তরে ও বলেছিল, নাহ, আমি ওর দ্বিতীয় বিয়েতে যাব।


এই বিভাগের আরো সংবাদ