• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

ভারতের বিএসএফ আমাদের সাথে যা করলো! সত্যিই অবাক হলাম!

ঢাকা অফিস
আপডেট: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

আমাদের মূল গন্তব্য মেঘালয়ের শিলং ও চেরাপুঞ্জি। সেখানে যেতে হলে তামাবিল বা ডাউকি বর্ডার পেরোতে হবে। তাই সিলেট শহর থেকে আমাদের গাড়ি ছুটল তামাবিল স্থলবন্দরের দিকে। যাত্রাপথেই একটু তামাবিল সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

তামাবিল স্থলবন্দর: এক মনোমুগ্ধকর সীমান্ত এলাকা

তামাবিল স্থলবন্দর সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। সিলেট শহর থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব মাত্র ৫৬ কিলোমিটার। এটি “জাফলং জিরো পয়েন্ট” নামেও পরিচিত। সিলেট-জাফলং রোড ধরে এগোলে জাফলংয়ের পাঁচ কিলোমিটার পূর্বেই তামাবিলের দেখা মিলবে।

এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর। চারপাশে সবুজ পাহাড়, তার মাঝে স্বচ্ছ পানির লেক, আর দূর থেকে দেখা যায় ভারতের ঝরনা ও জলপ্রপাত! বিশেষ করে বিকেলবেলা বা গোধূলির সময় ঝরনাগুলো দেখলে যেন অন্য এক জগতে চলে যাওয়া যায়। প্রতিদিন শত শত পর্যটক এখানে ভিড় করেন এই নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করতে।

এই তামাবিল বন্দর দিয়েই ভারত থেকে বাংলাদেশে কয়লা আমদানি করা হয়। কথাবার্তার মাঝেই আমরা পৌঁছে গেলাম তামাবিল স্থলবন্দরে। ইমিগ্রেশন শেষ করে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ গেট পার হয়ে আমরা ডাউকির পথে রওনা দিলাম।

ডাউকি ল্যান্ড পোর্ট: অভাবনীয় অভিজ্ঞতা!

ভারতে প্রবেশের পর প্রথমেই আমরা ডাউকি ল্যান্ড পোর্টে এলাম। এখানে তাদের আতিথেয়তা দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি! কী নেই এখানে?

  • প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা
  • পর্যটকদের জন্য বিশ্রামাগার
  • লাগেজ রাখার আলাদা জায়গা
  • পর্যটকদের যেকোনো সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান

প্রথমেই আমাদের শরীর ও ব্যাগপত্র তল্লাশি করা হলো। এরপর কাঁচঘেরা একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা চেক করা হলো। ডলার এন্ডোর্সমেন্ট ঠিকঠাক আছে কিনা সেটিও যাচাই করা হলো। সব ঠিক থাকলে আমাদের নাম রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি করানো হলো, আর তাতেই শেষ হলো ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা!

পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা প্রশংসার দাবিদার। কোনো ঝামেলা বা অপেক্ষা ছাড়াই দ্রুত কাজ শেষ হয়ে গেল। বের হয়েই দেখি আমাদের জন্য সেই মিনিবাস দাঁড়িয়ে আছে! এখান থেকে আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো নো ম্যানস ল্যান্ড বা বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ গেটের কাছে। এখন আমরা পুরোপুরি মেঘালয় ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত!

পরবর্তী গন্তব্য: ডাউকি বাজার

এখন আমরা যাব ডাউকি বাজারে, যেখানে টাকার বিনিময়ে রুপি বদলে নেব। তবে মনে রাখবেন, একাধিক দোকান থেকে রেট যাচাই করে নেওয়া ভালো, যাতে সঠিক রেট পাওয়া যায়।

👉 মেঘালয় ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্বে থাকছে:

  • প্রাকৃতিক বিস্ময় লিভিং রুট ব্রিজ (গাছের শেকড় দিয়ে তৈরি সেতু)
  • এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম মাওলিনং

পরবর্তী অংশের জন্য অপেক্ষায় থাকুন! 😊


এই বিভাগের আরো সংবাদ