• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ করলেন ছাত্রদল নেতা সাগর অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

বেশি রাতে খাওয়া বন্ধ করলে শরীরে যে পরিবর্তনগুলো ঘটে

ঢাকা অফিস
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

রাতে দেরি করে খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই অভ্যাস বন্ধ করলে শরীরে শুধু ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণই নয়, ভেতরে ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন শুরু হয়। ধীরে ধীরে এর প্রভাব পড়ে হজম, ঘুম, হরমোনের ভারসাম্য এমনকি ওজনের ওপরও। চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক—

হজম প্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক হয়

রাত গভীরে খাবার খেলে হজমতন্ত্রকে এমন সময়েও সক্রিয় থাকতে হয়, যখন সেটির স্বাভাবিকভাবে বিশ্রামে যাওয়ার কথা। গবেষণায় দেখা গেছে, দেরিতে খেলে পাকস্থলীর খাবার খালি হতে সময় লাগে বেশি এবং অম্লতা বাড়ে। তবে নিয়মিত এই অভ্যাস বাদ দিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে, পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমে যায়।

ঘুমের মান উন্নত হয়

রাতে দেরিতে খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে, ফলে শরীর শান্ত হতে পারে না এবং ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে খাবার বন্ধ রাখলে শরীর ধীরে ধীরে বিশ্রামে যায়। এতে গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম পাওয়া যায় এবং সকালে ঘুম ভাঙার পর সতেজ অনুভূতি বাড়ে।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য ঠিক হয়

দেরিতে খাওয়ার ফলে ঘ্রেলিন (ক্ষুধা বাড়ায়) ও লেপটিন (পেট ভরার সংকেত দেয়) হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এতে পরের দিন অকারণে বেশি ক্ষুধা লাগে। নিয়মিত রাতে খাওয়া বন্ধ রাখলে এই হরমোনগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

ওজন ও বিপাকক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে

রাতের অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমে যায় এবং বিপাকক্রিয়া ধীর করে। কিন্তু এই অভ্যাস বাদ দিলে শরীর জমে থাকা শক্তি ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ওজন কমতে পারে, এমনকি বিশেষ ডায়েট না করেও শরীর হালকা লাগে।

অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো হয়

রাতে না খেলে পরিপাকতন্ত্র বিশ্রামের সুযোগ পায়। এতে অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া ভালোভাবে কাজ করতে পারে। ফলে হজম উন্নত হয়, প্রদাহ কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। নিয়মিত এই অভ্যাসে মলত্যাগও স্বাভাবিক হয়।

অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমে যায়

খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে খাবার উল্টো দিকে উঠে বুকজ্বালা তৈরি করে। রাতে খাওয়া বন্ধ করলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। ফলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গ ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।

সব মিলিয়ে, রাতে দেরি করে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করলে শরীরের ভেতরে ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয়। হজম থেকে শুরু করে ঘুম—সবকিছুই ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে রাতের খাবারের সময়ের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ