ইরানে আগ্রাসন চালাতে গিয়ে প্রথম ২০ দিনে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ব্যয় প্রায় ৬৪০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে বলে অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে অবৈধ ইহুদি ভূখণ্ডটির দৈনিক পত্রিকা ‘হারেতজ’। এটি বাংলাদেশি বিস্তারিত...
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দখলদার ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের হাইফা শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের কারণে সেখানে আগুন লেগেছে। সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, উত্তর ও মধ্য
যুদ্ধের মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান জরুরি অবতরণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের বিমানবিধ্বংসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরই বিমানটি নিকটবর্তী একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করে। এ ঘটনার বিষয়ে
ইরান যুদ্ধে উত্তাপ বাড়ছে। সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছাড়িয়ে এখন জ্বালানি-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা শুরু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তেহরানের তেলের ডিপো ও সাউথ পারস গ্যাসফিল্ডে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। জবাবে
ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েই চলেছে। শুরুতে বিশ্লেষকেরা তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করলেও, এখন তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকি ও পারমাণবিক চুক্তিতে বাধ্য করতে ‘সীমিত হামলার’ পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে