• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

রাবিতে ৩০০ ফুট দীর্ঘ স্ক্রলচিত্রে গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যের মহাকাব্য

হোসাইন সুলভ
আপডেট: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে দেশজ সংস্কৃতির এক অসাধারণ উপস্থাপনা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা বিভাগের অধ্যাপক ও চারুশিল্পী ড. আবদুস সোবাহান এককভাবে অঙ্কন করেছেন ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২ ফুট প্রস্থের একটি বিশাল স্ক্রলচিত্র, যা বর্তমানে প্রদর্শিত হচ্ছে অনুষদের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

বাংলা ১৪৩২ সালের প্রথম দিনে, অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে, এই ব্যতিক্রমধর্মী শিল্পকর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব। স্ক্রলচিত্রটি তৈরি করতে ড. সোবাহানকে ব্যয় করতে হয়েছে টানা দুই মাসের নিরলস পরিশ্রম।

মিশ্রমাধ্যমে নির্মিত এ চিত্রে ফুটে উঠেছে বাংলার হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ জীবনযাত্রার নানান রূপ—লোকজ উৎসব, বাংলা নববর্ষ, নবান্ন, পৌষসংক্রান্তি, লোকসংগীত, লোকসাহিত্য, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, শৈশবের স্মৃতি, কারুশিল্প, মৃৎশিল্প, মাছ ধরা, ও প্রাত্যহিক ব্যবহৃত উপকরণের নিখুঁত চিত্ররূপ।

দর্শনার্থীরা জানাচ্ছেন, এ চিত্র দেখে যেন তারা শৈশবের গ্রামে ফিরে গেছেন। তারা বলছেন, এত বড় একক স্ক্রলচিত্রের প্রদর্শনী দেশে এই প্রথম, যা একদিকে যেমন ব্যতিক্রমী, তেমনি শিল্পীসত্তার মুগ্ধকর বহিঃপ্রকাশ।

শিল্পী ড. আবদুস সোবাহান বলেন, “আমাদের হারিয়ে যাওয়া প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা ও গ্রামীণ সংস্কৃতিকে একত্র করে এই স্ক্রলচিত্র নির্মাণ করেছি। দর্শকদের প্রশংসা আমাকে আরও নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।”

প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের চোখে যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে অতীতের সেই সোনালি দিনগুলো—যেখানে শিকড়ে ফেরার আবেগ আর শিল্পের প্রতি ভালোবাসা মিশে একাকার হয়ে গেছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ