• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন মুক্তাগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল হাসান জনি মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নে সাঈদুজ্জামান সাঈদের মানবিক উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজী নাসির মামুনের জন্মদিনে ময়মনসিংহে কবিতা ও দর্শনের আসর সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি, আর অপো এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে পাঠশালার সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মুক্তাগাছায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দলের আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সাগর
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আজকের মেইল ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

কম খরচে লাভবান কলা চাষে ঝুঁকছেন ঝিকরগাছার চাষিরা

ঢাকা অফিস
আপডেট: মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আর্থিকভাবে লাভবান, তুলনামূলক খরচ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় যশোরের ঝিকরগাছায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলা চাষ। চাষাবাদে সফলতায় হাসি ফুটেছে উপজেলার অনেক চাষির মুখে। ফলে অন্যান্য ফসল চাষ ছেড়ে তারা আসছেন কলা চাষে। 

উপজেলার অর্থকরী ফসল হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে কলা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১২৫ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কলা চাষ হয়েছে।

উপজেলার বোধখানা মাঠে কৃষকেরা ধান-পাট চাষ কমিয়ে কলা চাষ করছেন। অনেকে চাষযোগ্য জমির পাশাপাশি পতিত জমিতেও কলাবাগান করছেন।

বোধখানা গ্রামের বেলেমাঠপাড়ার ওসমান গণী ধান চাষের পরিবর্তে কলার বাগান করেন। এক বিঘা জমিতে দুই বছরে খরচ বাদে অন্তত তিন লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

ওসমান গণী বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে চাঁপা সবরি জাতের ক্রস কলার বাগান করেছি। গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি দিকে কলার চারা (বোগ) রোপণ করি। আট মাস পরে গাছে ফল আসে। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১৬ হাজার টাকা।’

‘খেতে ২৯০টি গাছে কলার কাঁদি পড়েছে। সপ্তাহ দুয়েক পর কলা কাটা যাবে। এই অবস্থায় পাইকারদের কাছে আগাম ৯৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। কলা কাটার পর চারা বিক্রি করা যাবে আরও ২৫ হাজার টাকার। এ বাগান দুই বছর রাখা যাবে। এ সময়ের মধ্যে তিনবার ফল ধরবে’ বলেন, ওসমান গণী।

ওসমান গণী আরও বলেন, ‘ক্রস জাতের চারা লাগানোর কারণে গাছ বেশি বড় হয়নি। তাই ঝড়ে গাছ ভাঙার ভয় নেই। সেই সঙ্গে বাঁশ দিয়ে ঠেকা দেওয়া লাগেনি, বাড়তি খরচ পড়েনি। আবার কলার কাঁদি অনেক বড় বড় হয়েছে। কলা চাষে খরচ কম হওয়ায় লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি।’

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘দিন দিন কলা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরা কলা চাষ করছেন। এটি পতিত জমিতেও ভালো হয়। লাভজনক ফসল হিসেবে যে কেউ স্বল্প খরচে ও অল্প শ্রমে সহজে কলা চাষ করতে পারেন। বোধখানা ও বারবাকপুর গ্রামের ব্লকে বসতবাড়িসংলগ্ন পতিত জায়গায় ৮০০ কলার বাগান করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, কলার চারা পোতার পর ফল আসার আগে অন্তত তিনবার গাছ কাটলে সেটা ক্রস হয়ে যাবে, গাছ বেশি বড় হবে না। তাই গাছ ভাঙার শঙ্কা নেই। ফলনও অনেক বেশি হয়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ